Sunday, July 26, 2026
+৯৬৬৫০৬৩১৯৮৬৩, +৮৮০১৭১০৩৫৩৯৩১
আল-ইলম একাডেমী
কোন ফলাফল নেই
সমস্ত ফলাফল দেখুন
  • লগইন
Al Ilm
  • মূলপাতা
  • আমাদের সম্পর্কে
    • আমাদের টিম
    • প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে
  • ওহীর বাণী
    • কুরআনের ইলম
    • হাদীসের ইলম
  • আরকানুল ইসলাম
    • ঈমান
    • সালাত
    • সিয়াম
    • হজ্ব
    • যাকাত
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ
    • প্রবন্ধ
    • আরবী প্রবন্ধ
    • ইংরেজী প্রবন্ধ
    • অনুবাদ প্রবন্ধ
  • বিভাগসমূহ
    • ইসলামী আক্বীদাহ
    • সালাফী মানহাজ
    • ঊলূমুল কুরআন
    • উলূমুল হাদীস
    • ইলমুল ফিক্বহ
    • উসূলে ফিক্বহ
    • ইসলামী দা‘ওয়াহ্
    • সীরাহ নাবাবিয়্যাহ
    • ইসলামের ইতিহাস
    • সালাফদের জীবনী
    • সালাফদের বাণী
    • হারামাইনের দারস থেকে
  • সাক্ষাৎকার
  • গল্প-কবিতা
  • ফিচার
  • জীবনী
  • ই-পেপার
  • মূলপাতা
  • আমাদের সম্পর্কে
    • আমাদের টিম
    • প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে
  • ওহীর বাণী
    • কুরআনের ইলম
    • হাদীসের ইলম
  • আরকানুল ইসলাম
    • ঈমান
    • সালাত
    • সিয়াম
    • হজ্ব
    • যাকাত
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ
    • প্রবন্ধ
    • আরবী প্রবন্ধ
    • ইংরেজী প্রবন্ধ
    • অনুবাদ প্রবন্ধ
  • বিভাগসমূহ
    • ইসলামী আক্বীদাহ
    • সালাফী মানহাজ
    • ঊলূমুল কুরআন
    • উলূমুল হাদীস
    • ইলমুল ফিক্বহ
    • উসূলে ফিক্বহ
    • ইসলামী দা‘ওয়াহ্
    • সীরাহ নাবাবিয়্যাহ
    • ইসলামের ইতিহাস
    • সালাফদের জীবনী
    • সালাফদের বাণী
    • হারামাইনের দারস থেকে
  • সাক্ষাৎকার
  • গল্প-কবিতা
  • ফিচার
  • জীবনী
  • ই-পেপার
কোন ফলাফল নেই
সমস্ত ফলাফল দেখুন
মাসিক আল-ইলম পত্রিকা
কোন ফলাফল নেই
সমস্ত ফলাফল দেখুন
মূলপাতা প্রবন্ধ

বই সংগ্রহ ও ইলম লিপিবদ্ধ করার গুরুত্ব

Al-Ilm BD দ্বারা Al-Ilm BD
June 16, 2026
বিষয়: প্রবন্ধ
পড়ার সময়:1 মিনিট পড়া হয়েছে
1
0
0
শেয়ার
10
দর্শন

বই সংগ্রহ ও ইলম লিপিবদ্ধ করার গুরুত্ব

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি প্রতিটি জিনিস সৃষ্টি করেছেন এবং যথাযথ পরিমাপে নির্ধারণ করেছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর উপর, যাঁকে তাঁর রব সাক্ষী, সুসংবাদদাতা, সতর্ককারী, আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী এবং আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

ইসলামী ইলমী ঐতিহ্যে বই সংগ্রহ, বই সংরক্ষণ এবং ইলম লিখে রাখার গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। বই শুধু কাগজের সমষ্টি নয়; বরং তা অতীত জ্ঞানের বাহন, আলেমদের মেধার স্মৃতি, উম্মাহর অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হিদায়াতের দরজা। একজন আলেম মৃত্যুবরণ করেন, কিন্তু তাঁর লেখা থেকে যায়; মানুষের স্মৃতি দুর্বল হয়ে যায়, কিন্তু লিখিত ইলম বহু যুগ ধরে আলো ছড়ায়।

বই সংগ্রহের উপকারিতা-
বই এমন এক সঙ্গী, যা সময়, স্থান ও মানুষের উপস্থিতির সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে। একজন লেখক হয়তো এক শহরে থাকেন, এক যুগে বেঁচে থাকেন এবং একদিন দুনিয়া থেকে বিদায় নেন; কিন্তু তাঁর বই যুগের পর যুগ, দেশ থেকে দেশান্তরে, পাঠকের হাতে হাতে জ্ঞান পৌঁছে দেয়।

বইয়ের বড় উপকারগুলোর মধ্যে একটি হলো, তা যেকোনো স্থানে পড়া যায় এবং তার জ্ঞান বহু মানুষের জিহ্বায় প্রকাশ পায়। লেখক হয়তো আর জীবিত নেই, কিন্তু তার চিন্তা, দলীল, বিশ্লেষণ ও অভিজ্ঞতা বইয়ের মাধ্যমে জীবিত থাকে। যদি পূর্বসূরিরা তাঁদের ইলম বইয়ে লিপিবদ্ধ না করতেন, তাহলে আমরা বহু অদেখা বিষয় জানতে পারতাম না, বহু দূরবর্তী জ্ঞান লাভ করতে পারতাম না এবং হিকমত অন্বেষণকারীদের সম্পর্ক অতীতের জ্ঞানভাণ্ডারের সঙ্গে ছিন্ন হয়ে যেত।

এ কারণেই বলা হয়েছে- আলেম মারা যান, কিন্তু তাঁর বই থেকে যায়; বুদ্ধি বিলীন হয়, কিন্তু তার প্রভাব রয়ে যায়।

খলীফা আল-মামূন বলেন,
لا شيءَ آثر للنفس، ولا أشرح للصدر، ولا أوفر للعِرْض، ولا أذكى للقلب، ولا أبسط للسان، ولا أشد للجَنان، ولا أكثر وِفاقًا، ولا أقل خلافًا، ولا أبلغ إشارةً، ولا أكثر عبارةً، من كتابٍ تكثُرُ فائدته، وتقلُّ مؤونته، وتُحمَد عاقبته، وهو محدِّث لا يُمَل، وصاحب لا يخل، وجليس لا يتحفظ، ومترجِم عن العقول الماضية، والحِكم الخالية، والأمم السالفة، يُحيي ما أماته الحِفظ، ويجدِّد ما أخلقه الدَّهر، ويُبرز ما حجبته الغَبَاوة، ويصل إذا قطع الثقة، ويدوم إذا خان الملوك.
অর্থাৎ, আত্মার জন্য বইয়ের চেয়ে অধিক প্রিয়, বক্ষের জন্য অধিক প্রশস্তকারী, মর্যাদার জন্য অধিক সংরক্ষণকারী, হৃদয়ের জন্য অধিক বিশুদ্ধকারী, জিহ্বার জন্য অধিক প্রসার দানকারী, মনের জন্য অধিক দৃঢ়কারী, অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ, কম বিরোধপূর্ণ, অধিক সূচনাময় ও অধিক প্রকাশক্ষম আর কিছু নেই, যদি তা এমন বই হয় যার উপকারিতা বেশি, ব্যয় কম এবং পরিণতি প্রশংসনীয়। বই এমন কথক, যাকে বিরক্তিকর লাগে না; এমন সঙ্গী, যে প্রতারণা করে না; এমন মজলিসসঙ্গী, যার সামনে সংকোচ করতে হয় না; অতীতের বুদ্ধি, বিলুপ্ত হিকমত এবং পূর্ববর্তী জাতির অনুবাদক। এটি স্মৃতির মৃত বিষয়কে জীবিত করে, সময়ের পুরোনো করে দেওয়া বিষয়কে নবায়ন করে, মূর্খতার আড়ালে থাকা বিষয় প্রকাশ করে, আস্থা বিচ্ছিন্ন হলে সংযোগ স্থাপন করে এবং রাজারা বিশ্বাসঘাতকতা করলেও টিকে থাকে। (তাকয়ীদুল ইলম, খতীব বাগদাদী)।

আবদুল্লাহ ইবনুল মু‘তায বলেন,
الكتابُ والجٌ للأبواب، جريءٌ على الحجاب، مفهِّم لا يفهَم، وناطق لا يتكلم.
অর্থাৎ, বই দরজাসমূহে প্রবেশকারী, পর্দা ভেদে সাহসী, এমন শিক্ষক যে নিজে বুঝে না কিন্তু বুঝিয়ে দেয়, এমন বক্তা যে কথা না বলেও কথা বলে।

যুল রুম্মাহ ঈসা ইবনু উমরকে বলেন,
اكتُبْ شِعري؛ فالكتاب أعجَبُ إليَّ مِن الحفظ، إن الأعرابيَّ ينسى الكلمة قد سهرتُ في طلبها ليلةً، فيضَع في موضعها كلمةً في وزنها، ثم ينشده الناس، والكتابُ لا ينسى ولا يبدِل كلامًا بكلامٍ.
অর্থাৎ, আমার কবিতা লিখে রাখো; কারণ লেখা আমার কাছে মুখস্থের চেয়ে বেশি প্রিয়। একজন বেদুঈন সেই শব্দ ভুলে যেতে পারে, যার সন্ধানে আমি পুরো রাত জেগেছি। তারপর তার জায়গায় একই ওজনের অন্য শব্দ বসিয়ে দেয় এবং মানুষ তা আবৃত্তি করে। কিন্তু বই ভুলে যায় না এবং এক কথার বদলে অন্য কথা বসায় না। (তাকয়ীদুল ইলম)

এ কারণেই কোনো কোনো আলেম বলেছেন,
الكتاب جليسٌ لا مؤونةَ عليك فيه.
অর্থাৎ, বই এমন সঙ্গী, যার জন্য তোমাকে কোনো অতিরিক্ত ব্যয় বা কষ্ট বহন করতে হয় না।

বই সংগ্রহে সালাফদের আগ্রহ-
সালাফে সালেহীন বই ও লিখিত ইলমের মূল্য ভালোভাবে বুঝতেন। তাঁদের কাছে বই ছিল জ্ঞানের ধনভাণ্ডার, আলেমদের সঙ্গ লাভের মাধ্যম এবং অতীতের নেককারদের সঙ্গে মানসিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ।

মূসা ইবনু উকবাহ বলেন, কুরাইব আমাদের কাছে ইবনু আব্বাস رضي الله عنهما-এর বইপত্রের এক উটভর্তি বোঝা রেখে যান। আলী ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু আব্বাস যখন কোনো বই চাইতেন, তিনি লিখে পাঠাতেন, ‘অমুক সহীফাটি পাঠাও।’ তারপর তা নকল করে আবার ফিরিয়ে দিতেন।

আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক رحمه الله-কে বলা হলো, ‘আপনি আমাদের সঙ্গে সালাত আদায় করার পর আমাদের সঙ্গে বসেন না কেন?’ তিনি বললেন,
أذهَب فأجلِس مع التابعين والصَّحابة.
অর্থাৎ, আমি গিয়ে তাবিঈন ও সাহাবীদের সঙ্গে বসি।
লোকেরা বলল, তাবিঈন ও সাহাবীরা কোথায়? তিনি বললেন,
أذهَبُ أنظُرُ في علمي فأدرك آثارهم وأعمالهم، ما أصنَع معكم؟ أنتم تجلِسون تغتابون الناسَ.
অর্থাৎ, আমি গিয়ে আমার ইলমের দিকে তাকাই; তখন তাঁদের আছার ও আমল লাভ করি। তোমাদের সঙ্গে আমি কী করব? তোমরা তো বসে মানুষের গীবত করো।”

এক তালিবুল ইলমকে বলা হলো, তুমি অমুক সম্মানিত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশা করো না কেন? তিনি বললেন, আমি তো তাঁর পিতা ও দাদার সঙ্গে মেলামেশা করি। তাঁর পিতা ও দাদার সঙ্গে মেলামেশা আমার কাছে তাঁর সঙ্গে মেলামেশার চেয়ে বেশি প্রিয়। তাঁকে বলা হলো, তাঁর পিতা ও দাদা তো মারা গেছেন, তুমি কীভাবে তাঁদের সঙ্গে মেলামেশা করো? তিনি বললেন, তাঁদের খবর ও আছারের মাধ্যমে, যেগুলো বইয়ে আছে। যখন আমি সেগুলো পড়ি, তখন যেন তাঁদের সঙ্গেই মেলামেশা করি।

একজন হাকীম তথা জ্ঞানী ব্যক্তিকে বলা হলো, আপনি কি কিছু মানুষকে ডাকেন না, যারা আপনাকে সঙ্গ দেবে? তিনি বললেন, আমার মতো ব্যক্তির সঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ কতজনকে ডাকা সম্ভব? তারা বলল, দুই বা তিনজন। তিনি বললেন, আমাকে তো হাজার হাজার, বরং দশ হাজারেরও বেশি মানুষ সঙ্গ দেয়। লোকেরা বলল, এত মানুষ আপনার কাছে কীভাবে আসে? আপনার ঘর কি তাদের ধারণ করতে পারে? তিনি বললেন, তাদের সমাবেশ লিখিত বই ও বর্ণিত খবরে।

এ কথাগুলো প্রমাণ করে, বই শুধু তথ্যের উৎস নয়; বরং অতীতের আলেম, সালাফ ও হিকমতবানদের সঙ্গে এক ধরনের ইলমী সঙ্গ।

কোনো কোনো আহলে ইলম বলেছেন, মানুষের উচিত বিভিন্ন ধরনের ইলম সঞ্চয় করে রাখা, যদিও আপাতত তা তার কাছে পরিচিত বা প্রয়োজনীয় মনে না হয়। কারণ আজ যে ইলমের প্রয়োজন নেই, কাল তা প্রয়োজন হতে পারে। এক সময়ে যে জিনিসে ক্লান্তি আসে, আরেক সময়ে তাতেই প্রশান্তি আসে। তাই তাড়াহুড়া করে বই হাতছাড়া করা উচিত নয়। অনেক সময় মানুষ কোনো বই বিক্রি করে দেয়, পরে তার প্রয়োজন হয়; তখন আর তা পাওয়া যায় না, আর সে দীর্ঘদিন অনুতাপ ও অস্থিরতায় ভোগে।

একজন আলেম বলেন, আমি একদিন একটি বই বিক্রি করেছিলাম, মনে করেছিলাম, এর আর প্রয়োজন হবে না। পরে একদিন আমার মনে হলো, ওই বইয়ে একটি বিষয় ছিল। আমি আমার সব বইয়ে তা খুঁজলাম, কিন্তু পেলাম না। ভেবেছিলাম সকালে কোনো আলেমকে জিজ্ঞেস করব। কিন্তু রাতভর উদ্বেগে দাঁড়িয়ে রইলাম। তাঁকে বলা হলো, আপনি বসেননি কেন? তিনি বললেন, চিন্তার তীব্রতা ও অস্থিরতার কারণে।

আরেক তলিবুল ইলম একটি বই বিক্রি করেছিলেন। পরে একটি শব্দের জন্য বইটির প্রয়োজন হলো। তিনি বইটির ক্রেতার কাছে গিয়ে শুধু সেই শব্দটি লিখে দিতে বললেন। ক্রেতা বলল, আল্লাহর কসম! তুমি পুরো বইয়ের দাম না দিলে এই শব্দ লিখতে পারবে না। তখন তিনি বইয়ের পুরো দাম ফেরত দিয়ে সেই শব্দ লিখলেন।

এক তলিবুল ইলমকে বলা হয়েছিল, তোমার যেসব বই এখন প্রয়োজন নেই, সেগুলো বিক্রি করো না কেন? তিনি বললেন.
إن لم أحتَجْ إليها اليوم، احتجتُ إليها بعد اليوم.
অর্থাৎ, আজ যদি এগুলোর প্রয়োজন না হয়, আগামী দিনে প্রয়োজন হবে।

আরেকজন একটি বই কিনলেন। তাঁকে বলা হলো, আপনি তো এমন বই কিনেছেন, যা আপনার শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত নয়। তিনি বললেন,
اشتريتُ ما ليس من علمي؛ ليصيرَ مِن علمي.
অর্থাৎ, যা এখন আমার ইলমের অংশ নয়, তা কিনেছি; যাতে তা আমার ইলমের অংশ হয়ে যায়।

আরেকজন সব বই কিনতেন। তাঁকে বলা হলো, আপনি এমন বইও কিনছেন, যার প্রয়োজন নেই। তিনি বললেন,
ربما احتجتُ إلى ما لا أحتاج إليه.
অর্থাৎ, যার এখন প্রয়োজন নেই, কখনো সেটিরও প্রয়োজন হতে পারে।

উপরোল্লিখিত ঘটনাগুলো থেকে বোঝা যায়, সালাফদের কাছে বই ছিল ক্ষণিক শখের বস্তু নয়; বরং ইলমি প্রস্তুতির অপরিহার্য উপকরণ।

ইলম লিখে রাখা ভুলে যাওয়ার নিরাপত্তা-
ইলম অর্জনের পর তা লিখে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষের স্মৃতি দুর্বল, ব্যস্ততা বেশি এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু ভুলে যায়। লিখিত ইলম মানুষকে ভুলে যাওয়ার ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর رضي الله عنهما বলেন,
كنتُ أكتُبُ كلَّ شيءٍ أسمعه من رسول الله صلى الله عليه وسلم أريد حفظه، فنهَتْني قريشٌ، وقالوا: أتكتُبُ كل شيءٍ تسمعه ورسول الله صلى الله عليه وسلم بشَرٌ يتكلَّم في الغضب والرضا؟! فأمسكتُ عن الكتاب، فذكرتُ ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فأومأ بأصبعه إلى فيه، فقال: اكتُبْ؛ فوالذي نفسي بيده، ما يخرُجُ منه إلا حق.
অর্থাৎ, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছ থেকে যা শুনতাম, তা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে লিখে রাখতাম। কুরাইশ আমাকে নিষেধ করল এবং বলল, তুমি কি যা শুনছ সব লিখে রাখছ, অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ একজন মানুষ; তিনি রাগ ও সন্তুষ্টি উভয় অবস্থায় কথা বলেন? তখন আমি লেখা বন্ধ করলাম। বিষয়টি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জানালাম। তিনি নিজের মুখের দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করে বললেন, লিখে রাখো। যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তাঁর কসম! এখান থেকে সত্য ছাড়া কিছু বের হয় না। (আবু দাউদ)।

আরেক হাদীসে এসেছে, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ খুতবা দিলেন। তখন ইয়ামানের এক ব্যক্তি, যার নাম আবু শাহ, দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য লিখে দিন। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন,
اكتبوا لأبي شاه.
অর্থাৎ, আবু শাহর জন্য লিখে দাও। (আবু দাউদ)।

উমর ইবনুল খাত্তাব رضي الله عنه বলেন,
قيِّدوا العلمَ بالكتاب.
অর্থাৎ, ইলমকে লেখার মাধ্যমে বেঁধে রাখো। (মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবাহ)।

উমর ইবনু আব্দুল আযীয رحمه الله আবু বকর ইবনু হাযমকে লিখে পাঠান,
انظُرْ ما كان مِن حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم، فاكتُبْه؛ فإني خِفتُ دُروسَ العلم، وذَهاب العلماء.
অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যে হাদীস আছে, তা খুঁজে লিখে রাখো। কারণ আমি ইলম মুছে যাওয়া এবং আলেমদের চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছি। (শারহুস সুন্নাহ, ইমাম বাগাভী)।

রজা- ইবনু হাইওয়াহ বলেন, হিশাম ইবনু আবদুল মালিক তার এক কর্মচারীকে লিখেছিল, যেন সে আমাকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তিনি বলেন, আমি তা ভুলে গিয়েছিলাম, যদি না তা আমার কাছে লিখিত থাকত।

সালিহ ইবনু কাইসান বলেন,
كنتُ أنا وابن شهابٍ الزُّهري نطلُبُ العلم، فاجتمعنا على أن نكتُبَ السُّنَن، فكتَبْنا كل شيءٍ سمعنا عن النبي صلى الله عليه وسلم، ثم قال: اكتب ما جاء عن أصحابه، فقلت: لا، ليس بسنَّةٍ، وقال هو: بل هو سنَّة، وكتب ولم أكتب، فأنجح وضيعتُ.
অর্থাৎ, আমি ও ইবনু শিহাব আয-যুহরী একসঙ্গে ইলম অন্বেষণ করতাম। আমরা একমত হলাম যে, আমরা সুন্নাহ লিখব। তাই আমরা নবী ﷺ থেকে যা শুনলাম, সব লিখলাম। এরপর তিনি বললেন, সাহাবীদের থেকে যা এসেছে, তাও লিখো। আমি বললাম, না, এটি সুন্নাহ নয়। তিনি বললেন, বরং এটিও সুন্নাহ। তিনি লিখলেন, আমি লিখলাম না। ফলে তিনি সফল হলেন, আর আমি হারালাম। (জামিউ বায়ানিল ইলম ওয়া ফাযলিহি)।

আমির আশ-শা‘বী رحمه الله বলেন,
لا تَدَعَنَّ شيئًا من العلم إلا كتبتَه؛ فهو خيرٌ لك مِن موضعه من الصحيفة، وإنك تحتاجُ إليه يومًا ما.
অর্থাৎ, ইলমের কোনো কিছুই লিখে রাখা থেকে বিরত থেকো না। তা কাগজে যে জায়গা নেয়, তার চেয়ে তোমার জন্য বেশি কল্যাণকর। একদিন না একদিন তোমার তা প্রয়োজন হবে। (তাকয়ীদুল ইলম)।

সাঈদ ইবনু জুবাইর رحمه الله বলেন,
كنتُ أجلِس إلى ابن عباسٍ، فأكتُبُ في الصحيفة حتى تمتلئَ.
অর্থ, আমি ইবনু আব্বাস رضي الله عنهما-এর কাছে বসতাম এবং সহীফা পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত লিখতাম। (সুনান দারিমী)।

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান رحمه الله বলেন,
ودِدْتُ أني كتبتُ كلما كنت أسمع، وكان ذلك أحبَّ إليَّ مِن أن يكون لي مِثل مالي.
অর্থাৎ, আমি কামনা করি, আমি যা শুনেছি সব লিখে রাখতাম। তা আমার কাছে আমার সম্পদের সমপরিমাণ সম্পদ থাকার চেয়েও বেশি প্রিয় ছিল। (তাকয়ীদুল ইলম)।

খলীল ইবনু আহমাদ رحمه الله বলেন,
ما سمعتُ شيئًا إلا كتبتُه، ولا كتبتُ شيئًا إلا حفظتُه، ولا حفظتُ شيئًا إلا انتفعتُ به.
অর্থাৎ, আমি যা শুনেছি, তা লিখেছি; যা লিখেছি, তা মুখস্থ করেছি; আর যা মুখস্থ করেছি, তা থেকে উপকৃত হয়েছি। (তাকয়ীদুল ইলম)।

খালিদ ইবনু খিদাশ আল-বাগদাদী বলেন, আমি মালিক ইবনু আনাস رحمه الله-কে বিদায় জানিয়ে বললাম, হে আবু আব্দুল্লাহ! আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন,
عليك بتقوى اللهِ في السرِّ والعلانية، والنُّصح لكل مسلمٍ، وكتابة العلم مِن عند أهله.
অর্থাৎ, গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহভীতি অবলম্বন করো, প্রত্যেক মুসলিমের জন্য নসীহত রাখো এবং আহলে ইলমের কাছ থেকে ইলম লিখে রাখো। (জামিউ বায়ানিল ইলম ওয়া ফাযলিহি)।

বাশীর ইবনু নাহীক বলেন,
كنتُ أكتب ما أسمَعُ من أبي هريرة، فلما أردتُ أن أفارقَه أتيته بكتابي، فقلتُ: هذا سمعتُه منك؟ قال: نعم.
অর্থাৎ, আমি আবু হুরাইরা رضي الله عنه থেকে যা শুনতাম, তা লিখতাম। যখন তাঁর কাছ থেকে বিদায় নিতে চাইলাম, তখন আমার লেখা নিয়ে তাঁর কাছে এলাম এবং বললাম, এগুলো কি আমি আপনার কাছ থেকে শুনেছি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (জামিউ বায়ানিল ইলম ওয়া ফাযলিহি)।

আবু যুর‘আহ আর-রাযী رحمه الله বলেন,
سمعتُ أحمد بن حنبلٍ ويحيى بن معينٍ يقولان: كلُّ مَن لا يكتُبُ العلمَ لا يُؤمَنُ عليه الغلطُ.
অর্থাৎ, আমি আহমাদ ইবনু হাম্বল ও ইয়াহইয়া ইবনু মা‘ঈনকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি ইলম লিখে রাখে না, তার ভুল থেকে নিরাপদ থাকা যায় না। (জামিউ বায়ানিল ইলম ওয়া ফাযলিহি)।

এসব আছার থেকে স্পষ্ট, ইলম লিখে রাখা কেবল একটি ভালো অভ্যাস নয়; বরং ইলম সংরক্ষণ, ভুল কমানো এবং ভবিষ্যৎ উপকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

আলেমদের মৃত্যু এক বড় মুসিবত-
ইলম শুধু বইয়ে থাকে না; ইলমের জীবন্ত বাহক হলেন আলেমগণ। আলেমদের মৃত্যু উম্মাহর জন্য বড় ক্ষতি। কারণ তাঁদের চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইলমের একটি জীবন্ত দরজা বন্ধ হয়ে যায়।

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস رضي الله عنهما বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি,
إن اللهَ لا يقبِضُ العلم انتزاعًا ينتزعه مِن العباد، ولكن يقبِض العِلم بقَبْض العلماء، حتى إذا لم يُبْقِ عالمًا اتخذ الناسُ رؤوسًا جُهَّالًا، فسُئلوا، فأفتَوْا بغير علمٍ؛ فضَلُّوا وأضلُّوا.
অর্থাৎ, আল্লাহ বান্দাদের অন্তর থেকে ইলম ছিনিয়ে নিয়ে ইলম উঠিয়ে নেন না; বরং আলেমদের মৃত্যু দ্বারা ইলম উঠিয়ে নেন। অবশেষে যখন কোনো আলেম অবশিষ্ট থাকবে না, মানুষ অজ্ঞ নেতাদের গ্রহণ করবে। তাদের জিজ্ঞেস করা হবে, তারা ইলম ছাড়া ফতোয়া দেবে; ফলে নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)।

এখানে انتزاعًا অর্থ হলো, আলেমদের অন্তর থেকে সরাসরি মুছে নেওয়া নয়; বরং আলেমদের মৃত্যুর মাধ্যমে ইলমের ধারকরা চলে যাওয়া।

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ رضي الله عنه বলেন,
موتُ العالم ثُلمة في الإسلامِ، لا يسُدُّها شيءٌ ما اختلَف الليلُ والنهار.
অর্থাৎ, আলেমের মৃত্যু ইসলামে এমন এক ফাটল, যা দিন-রাতের আবর্তন চলতে থাকা পর্যন্ত কোনো কিছু পূরণ করতে পারে না। (শারহুস সুন্নাহ, ইমাম বাগাভী)।

আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস رضي الله عنهما বলেন,
أتدرون ما ذَهابُ العِلم مِن الأرض؟
অর্থাৎ, তোমরা কি জানো, পৃথিবী থেকে ইলম চলে যাওয়া কী?

তাঁকে বলা হলো, না। তিনি বললেন,
أن يذهَبَ العلماءُ.
অর্থাৎ, আলেমরা চলে যাওয়া। (আল-ইলম, আবু খাইছামাহ)।

সাঈদ ইবনু জুবাইর رحمه الله-কে জিজ্ঞেস করা হলো, মানুষের ধ্বংসের আলামত কী? তিনি বললেন,
إذا هلَك علماؤُهم.
অর্থাৎ, যখন তাদের আলেমরা ধ্বংস হয়ে যাবে। (শারহুস সুন্নাহ, ইমাম বাগাভী)।

এসব আলোচনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আলেমদের জীবদ্দশায় তাঁদের কাছ থেকে ইলম গ্রহণ করা, তাঁদের লেখা সংরক্ষণ করা, তাঁদের দরস লিখে রাখা এবং তাঁদের ইলমকে পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া কত জরুরি।

অজ্ঞতার বিস্তার কিয়ামতের আলামত-
শেষ যুগের অন্যতম ভয়াবহ আলামত হলো ইলম কমে যাওয়া এবং অজ্ঞতা বেড়ে যাওয়া। আনাস ইবনু মালিক رضي الله عنه বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি,
مِن أشراط الساعة: أن يَقِلَّ العِلمُ، ويظهَر الجهل، ويظهَر الزِّنا، وتكثر النساء، ويَقِلَّ الرجال، حتى يكون لخمسين امرأةً القيِّمُ الواحد.
অর্থাৎ, কিয়ামতের আলামতের মধ্যে রয়েছে: ইলম কমে যাবে, অজ্ঞতা প্রকাশ পাবে, যিনা প্রকাশ পাবে, নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এমনকি পঞ্চাশ জন নারীর জন্য একজন দায়িত্বশীল পুরুষ থাকবে। (সহীহ বুখারী)।

এই হাদীসে القيِّم الواحد অর্থ হলো, যে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। যুদ্ধ, ফিতনা ও অস্থিরতায় বহু পুরুষ নিহত হওয়ার কারণে এমন অবস্থা হতে পারে।

এখানে ইলম কমে যাওয়া এবং অজ্ঞতার বিস্তারকে কিয়ামতের আলামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ইলম লেখা, বই সংগ্রহ, আলেমদের আছার সংরক্ষণ এবং ইলমকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া শুধু ব্যক্তিগত উপকারের বিষয় নয়; বরং এটি উম্মাহর দায়িত্ব।

উপসংহার-
বই সংগ্রহ, ইলম লেখা এবং আলেমদের বক্তব্য সংরক্ষণ ইসলামী সভ্যতার একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য। এই উম্মাহর জ্ঞানভাণ্ডার মুখে মুখে নয়, বরং মুখস্থ, লেখা, সনদ, বই এবং আলেমদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে।

বই আমাদের অতীতের সঙ্গে যুক্ত করে, আলেমদের সঙ্গ দেয়, ভুলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে, অজ্ঞতার বিরুদ্ধে ঢাল হয় এবং মৃত্যুর পরও ইলমের আলো জারি রাখে। তাই একজন তলিবুল ইলমের উচিত বইকে সম্মান করা, প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করা, অর্জিত ইলম লিখে রাখা, আলেমদের জীবদ্দশায় তাঁদের থেকে উপকৃত হওয়া এবং নিজের ইলমকে কাগজে, স্মৃতিতে ও আমলে সংরক্ষণ করা।

কারণ ইলম শুধু অর্জনের বিষয় নয়; ইলম সংরক্ষণেরও বিষয়। আর যে ইলম লেখা হয়, সংরক্ষিত হয়, আমলে রূপ নেয় এবং পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে যায়, সেই ইলমই উম্মাহর জন্য স্থায়ী আলো হয়ে থাকে।

পরিশেষে সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ ﷺ-এর উপর, যিনি প্রথম ও শেষ সকলের নেতা; এবং তাঁর অনুসারীদের উপর, যারা কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর আনীত নূরের অনুসরণ করবে। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হৌন। আমীন!

শাইখ সলাহ নাজিব থেকে সংকলিত
আব্দুল হাকীম মাদানী
আল-ইলম ইন্সটিটিউট রাজশাহী।

Al-Ilm BD

Al-Ilm BD

সম্পর্কিত পোস্ট

কোন বিষয়বস্তু উপলব্ধ নেই

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমি শর্ত ও শর্তাবলীতে সম্মত এবং গোপনীয়তা নীতি .

সকল বিষয়

  • সম্পাদকীয়
  • কুরআনের ইলম
  • হাদীসের ইলম
  • ইসলামী আক্বীদাহ
  • সালাফী মানহাজ
  • ঊলূমুল কুরআন
  • উলূমুল হাদীস
  • ইলমুল ফিক্বহ
  • উসূলে ফিক্বহ
  • ইসলামী দা‘ওয়াহ্
  • সীরাহ নাবাবিয়্যাহ
  • ইসলামের ইতিহাস
  • সালাফদের জীবনী
  • সালাফদের বাণী
  • হারামাইনের দারস থেকে
  • আরবী প্রবন্ধ
  • ইংরেজী প্রবন্ধ
  • অনুবাদ প্রবন্ধ
  • গ্রন্থ পর্যালোচনা
  • সাক্ষাৎকার
  • সমসাময়িক মনীষী
  • কবিতা
  • কুরআন ও হাদীসের গল্প
  • শিক্ষক পাতা
  • শিক্ষার্থী পাতা
  • বিজ্ঞান ইলম
  • মুসলিম বিশ্ব
  • ভ্রমণ স্মৃতি
  • বিদেশে উচ্চশিক্ষা
  • স্বাস্থ্যকথা
  • শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান
  • সম-সাময়িক প্রসঙ্গ

গ্রাহক/এজেন্ট হৌন

লেখক ফোরাম

  • আব্দুল্লাহ
  • আব্দুল্লাহ
  • আব্দুল্লাহ
  • Al-Ilm BD

লেখক ফোরামে যুক্ত হন

পাঠক ফোরাম

  • আব্দুল্লাহ
  • আব্দুল্লাহ
  • আব্দুল্লাহ
  • Al-Ilm BD

পাঠক ফোরামে যুক্ত হন

পুরাতন সংখ্যা

কুরআনের ইলম
ইসলামী দা‘ওয়াহ্
সীরাহ নাবায়্যিাহ্

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বাধিক পঠিত

  • আরবী প্রবন্ধ

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • সালাফদের বাণী

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • সালাফদের বাণী

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • আরবী প্রবন্ধ

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • কবিতা

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • কুরআন ও হাদীসের গল্প

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • আরবী প্রবন্ধ

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • আরবী প্রবন্ধ

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • সম্পাদকীয়

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
  • সম্পাদকীয়

    0 শেয়ারসমূহ
    শেয়ার 0 টুইট 0
alilm-আল-ইলম

বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ ও সালাফী মানহাজ ভিত্তিক শিক্ষার্থী বান্ধব পত্রিকা।

আল-ইলম বিডি

  • ilmacademyedu23@gmail.com
  • +৮৮০১৭১০৩৫৩৯৩১
  • +৯৬৬৫০৬৩১৯৮৬৩
  • মেইন অফিস: বাড়ি নং ৫৪-৫৬, রোড নং ০২, ব্লক: ডি, শহীদবাগ, মিরপুর-১২, পল্লবী, ঢাকা-১২১৬
  • রাজশাহী শাখা: দেওয়ানপাড়া মাদ্রাসা মোড়, কাটাখালী, রাজশাহী।

সরাসরি লিঙ্ক

  • আমাদের সম্পর্কে
  • নোটিস বোর্ড
  • লেখা পাঠান
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি

সোশ্যাল মিডিয়া

Facebook X-twitter Youtube

Main Menu

  • মূলপাতা
  • আমাদের টিম
  • প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে

Important Links

  • লেখা পাঠান
  • গ্রাহক/এজেন্ট হৌন
  • লেখক ফোরামে যুক্ত হৌন

Quick Links

  • ডোনেশন
  • নোটিস বোর্ড
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি

Contact Us

  • ilmacademyedu23@gmail.com
  • +৮৮০১৭১০৩৫৩৯৩১
  • +৮৮০১৭৩৬৫০৩৩৭৯
  • পরিচালক: উস্তায আব্দুল হাকীম মাদানী
  • আমচত্বর, নওদাপাড়া, রাজশাহী-৬২০৩
Facebook Youtube X-twitter

All Right Reserved @Al-Ilm BD 2026-1447 – Developed by Web Developer Abu Bashar. 

কোন ফলাফল নেই
সমস্ত ফলাফল দেখুন
  • লগইন
  • মূলপাতা
  • সকল বিষয়
    • সম্পাদকীয়
    • কুরআনের ইলম
    • হাদীসের ইলম
    • ইসলামী আক্বীদাহ
    • সালাফী মানহাজ
    • ঊলূমুল কুরআন
    • উলূমুল হাদীস
    • ইলমুল ফিক্বহ
    • উসূলে ফিক্বহ
    • ইসলামী দা‘ওয়াহ্
    • সীরাহ নাবাবিয়্যাহ
    • ইসলামের ইতিহাস
    • সালাফদের জীবনী
    • সালাফদের বাণী
    • হারামাইনের দারস থেকে
    • আরবী প্রবন্ধ
    • ইংরেজী প্রবন্ধ
    • অনুবাদ প্রবন্ধ
    • গ্রন্থ পর্যালোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমসাময়িক মনীষী
    • কবিতা
    • কুরআন ও হাদীসের গল্প
    • শিক্ষক পাতা
    • শিক্ষার্থী পাতা
    • বিজ্ঞান ইলম
    • মুসলিম বিশ্ব
    • ভ্রমণ স্মৃতি
    • বিদেশে উচ্চশিক্ষা
    • স্বাস্থ্যকথা
    • শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান
    • সম-সাময়িক প্রসঙ্গ
  • আমাদের সম্পর্কে
    • আমাদের টিম
    • প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে
  • ওহীর বাণী
    • কুরআনের ইলম
    • হাদীসের ইলম
  • আরকানুল ইসলাম
    • ঈমান
    • সালাত
    • সিয়াম
    • হজ্ব
    • যাকাত
  • প্রবন্ধ-নিবন্ধ
    • প্রবন্ধ
    • আরবী প্রবন্ধ
    • ইংরেজী প্রবন্ধ
    • অনুবাদ প্রবন্ধ
  • বিভাগসমূহ
    • ইসলামী আক্বীদাহ
    • সালাফী মানহাজ
    • ঊলূমুল কুরআন
    • উলূমুল হাদীস
    • ইলমুল ফিক্বহ
    • উসূলে ফিক্বহ
    • ইসলামী দা‘ওয়াহ্
    • সীরাহ নাবাবিয়্যাহ
    • ইসলামের ইতিহাস
    • সালাফদের জীবনী
    • সালাফদের বাণী
    • হারামাইনের দারস থেকে
  • সাক্ষাৎকার
  • গল্প-কবিতা
  • ফিচার
  • জীবনী
  • ই-পেপার

All Right Reserved @Al-Ilm BD 2026-1447 – Developed by Developer Abu Bashar.

ফিরে আসার জন্য স্বাগতম!

নীচে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

আপনার পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করুন

আপনার পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করতে আপনার ব্যবহারকারীর নাম বা ইমেল ঠিকানা লিখুন.

প্রবেশ করুন
এই ওয়েবসাইট কুকিজ ব্যবহার করে. এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আপনি কুকিজ ব্যবহার করার জন্য সম্মতি দিচ্ছেন। আমাদের পরিদর্শন করুন গোপনীয়তা এবং কুকি নীতি .