আরবি শিরোনাম: كَلِمَتَانِ حَبِيبَتَانِ خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ
১. হাদীসের আরবি পাঠ
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:
كَلِمَتَانِ حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ، خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ، ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ.
২. হাদীসের বাংলা অনুবাদ
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“দুটি বাক্য রয়েছে, যা পরম দয়াময় আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়, উচ্চারণে খুব সহজ এবং আমলের পাল্লায় অত্যন্ত ভারী। বাক্য দুটি হলো: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ — ‘আল্লাহ পবিত্র, তাঁরই প্রশংসাসহ। মহান আল্লাহ পবিত্র।’”
হাদীসের সূত্র: সহীহ আল-বুখারী, হাদীস ৬৪০৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৬৯৪।
৩. ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি।
মানুষের জীবনে এমন কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলো করতে অনেক সময়, শ্রম ও অর্থের প্রয়োজন হয়। আবার এমন কিছু আমল রয়েছে, যা করতে খুব বেশি সময় লাগে না, অথচ আল্লাহর কাছে তার মর্যাদা ও প্রতিদান অনেক বড়।
আল্লাহর যিকর বা স্মরণ এমনই একটি মহান ইবাদত। এর জন্য সব সময় বিশেষ কোনো স্থান, নির্দিষ্ট পোশাক কিংবা দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয় না। মানুষ চলতে-ফিরতে, বসে, শুয়ে, কাজের ফাঁকে এবং অবসর সময়েও আল্লাহকে স্মরণ করতে পারে।
রাসুলুল্লাহ ﷺ এই হাদীসে আমাদের এমন দুটি বাক্য শিখিয়েছেন, যা উচ্চারণ করা অত্যন্ত সহজ, কিন্তু আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় এবং কিয়ামতের দিন আমলের পাল্লায় অত্যন্ত ভারী হবে। এই হাদীস শেখায়, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য শুধু বড় বড় কাজের অপেক্ষায় থাকা উচিত নয়; ছোট অথচ সুন্নাহসম্মত আমলও আন্তরিকতার সঙ্গে নিয়মিত করা উচিত।
৪. প্রথম বাক্য: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ
বাংলা অর্থ: “আল্লাহ পবিত্র, তাঁরই প্রশংসাসহ।” এই বাক্যে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা এবং তাঁর প্রশংসা—দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একত্র হয়েছে।
ক. سُبْحَانَ اللَّهِ-এর তাৎপর্য
سُبْحَانَ اللَّهِ অর্থ, আল্লাহ পবিত্র ও সব ধরনের ত্রুটি থেকে মুক্ত। আল্লাহ সব দুর্বলতা, অপূর্ণতা, অক্ষমতা এবং সৃষ্টির বৈশিষ্ট্য থেকে পবিত্র। তিনি পরিপূর্ণ গুণাবলির অধিকারী। তাঁর কোনো শরিক বা সমকক্ষ নেই এবং তাঁর মধ্যে কোনো ত্রুটি নেই।
আল্লাহ তাআলা বলেন: سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ — “তারা যা বর্ণনা করে, তা থেকে আল্লাহ পবিত্র।” (সূরা আল-মু’মিনূন, ২৩:৯১)
অতএব, একজন মুসলিম ‘সুবহানাল্লাহ’ বললে আল্লাহর মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং অন্তরে আল্লাহর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জাগ্রত করে।
খ. وَبِحَمْدِهِ-এর তাৎপর্য
وَبِحَمْدِهِ অর্থ, তাঁর প্রশংসাসহ। অর্থাৎ, আমরা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করি এবং একই সঙ্গে তাঁর প্রশংসা করি। তিনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা, রিজিকদাতা, পালনকর্তা এবং অসংখ্য নিয়ামতের দাতা। তাঁর প্রতিটি অনুগ্রহের জন্য আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।
আল্লাহ তাআলা বলেন: الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ — “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সমগ্র জগতের রব।” (সূরা আল-ফাতিহা, ১:২)
এই যিকরের মাধ্যমে বান্দা স্বীকার করে যে, আল্লাহ সব ধরনের ত্রুটি থেকে পবিত্র এবং সব প্রশংসার প্রকৃত অধিকারী।
৫. দ্বিতীয় বাক্য: سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
বাংলা অর্থ: “মহান আল্লাহ পবিত্র।” এখানে الْعَظِيمُ অর্থ মহান, অতিমহান, মহিমাময়। আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব ও মর্যাদা অসীম। তাঁর জ্ঞান, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও মহিমা সবকিছুকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। তাঁর তুলনীয় কেউ নেই।
আল্লাহ তাআলা বলেন: وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ — “আর তিনি সর্বোচ্চ, মহামহিম।” (সূরা আল-বাকারা, ২:২৫৫)
এই বাক্য উচ্চারণের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর অসীম মহত্ত্ব স্বীকার করে। এতে অন্তরে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, ভয় ও বিনয় বৃদ্ধি পায়। যে ব্যক্তি আল্লাহর মহত্ত্ব উপলব্ধি করতে শেখে, তার কাছে অহংকার, আত্মম্ভরিতা এবং মানুষের ওপর অন্যায়ভাবে প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা তুচ্ছ হয়ে আসে।
৬. কেন এই দুটি বাক্য আল্লাহর কাছে এত প্রিয়?
হাদীসে রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: حَبِيبَتَانِ إِلَى الرَّحْمَنِ — অর্থ, দুটি বাক্য পরম দয়াময় আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এ থেকে বোঝা যায়, যিকর শুধু মুখের উচ্চারণ নয়; এটি আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
এই দুটি বাক্যে আল্লাহর পবিত্রতা, প্রশংসা ও মহত্ত্বের ঘোষণা রয়েছে। বান্দা যখন আন্তরিকতার সঙ্গে এগুলো উচ্চারণ করে, তখন সে নিজের রবের মহিমা স্মরণ করে এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
আল্লাহ তাআলা বলেন: فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوا لِي وَلَا تَكْفُرُونِ — “অতএব, তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ করব। আর আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো এবং অকৃতজ্ঞ হয়ো না।” (সূরা আল-বাকারা, ২:১৫২)
আল্লাহর যিকর মানুষের অন্তরকে তাঁর দিকে ফিরিয়ে আনে। দুনিয়ার ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা ও নানা আকর্ষণের মধ্যেও বান্দাকে তার সৃষ্টিকর্তার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
৭. خَفِيفَتَانِ عَلَى اللِّسَانِ: জিহ্বায় হালকা
অর্থ: বাক্য দুটি উচ্চারণ করা অত্যন্ত সহজ। এই যিকর বলতে খুব বেশি সময় লাগে না, বিশেষ প্রস্তুতিও দরকার হয় না। একজন মানুষ অল্প সময়েই এই মহান যিকর করতে পারে।
আমরা প্রতিদিন কত কথা বলি, কত সময় বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করি! অথচ সেই সময়ের সামান্য অংশও যদি আল্লাহর যিকরে ব্যয় করি, তাহলে আমলের খাতায় নেকি যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তবে শুধু মুখে উচ্চারণ করাই উদ্দেশ্য নয়; যথাসম্ভব অর্থ বুঝে, আন্তরিকতার সঙ্গে এবং আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে যিকর করা উচিত।
দৈনন্দিন জীবনে যিকরের সুযোগ: সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর; কাজের বিরতিতে; যাতায়াতের সময়; অবসর মুহূর্তে; ঘুমাতে যাওয়ার আগে; এবং দৈনন্দিন বৈধ কাজের ফাঁকে, যখন মনোযোগ দিয়ে যিকর করা সম্ভব।
নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত কিংবা অন্য কোনো দায়িত্ব পালনের সময় এমনভাবে যিকর করা উচিত নয়, যাতে নির্ধারিত ইবাদত বা অন্যের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৮. ثَقِيلَتَانِ فِي الْمِيزَانِ: আমলের পাল্লায় ভারী
অর্থ: বাক্য দুটি কিয়ামতের দিন আমলের পাল্লায় অত্যন্ত ভারী হবে। ইসলামী আকিদা অনুযায়ী, কিয়ামতের দিন মানুষের আমল ও তার হিসাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ ন্যায়বিচারের সঙ্গে বান্দাদের বিচার করবেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন: وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا — “আর কিয়ামতের দিন আমি ন্যায়বিচারের পাল্লাসমূহ স্থাপন করব। সুতরাং কারও প্রতি সামান্যও জুলুম করা হবে না।” (সূরা আল-আম্বিয়া, ২১:৪৭)
এই হাদীস আমাদের সুসংবাদ দেয় যে, আল্লাহর কাছে প্রিয় এই দুটি বাক্য আমলের পাল্লায় অত্যন্ত ভারী হবে। কোনো আমলকে শুধু তার বাহ্যিক আকার বা সময়ের পরিমাণ দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। আল্লাহর কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা, শরিয়তসম্মত হওয়া, আন্তরিকতা এবং আল্লাহর অনুগ্রহের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই যিকরকে ছোট মনে করা উচিত নয়। একই সঙ্গে যিকরের পাশাপাশি ফরজ ইবাদত, মানুষের অধিকার এবং অন্যান্য দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
৯. যিকরের গুরুত্ব সম্পর্কে কুরআনের নির্দেশনা
আল্লাহ তাআলা বলেন: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا اللَّهَ ذِكْرًا كَثِيرًا وَسَبِّحُوهُ بُكْرَةً وَأَصِيلًا — “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো এবং সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করো।” (সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৪১-৪২)
এই আয়াত আল্লাহর যিকর বেশি বেশি করার নির্দেশ দেয়। একজন মুমিনের জীবন যেন আল্লাহর স্মরণ থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যিকরের জন্য নিয়মিত সময় রাখা উচিত। বিশেষ করে সকাল-সন্ধ্যার প্রমাণিত যিকরগুলো শেখা এবং সুন্নাহ অনুযায়ী পালন করা উচিত।
১০. এই হাদীস থেকে শিক্ষণীয় বিষয়
প্রথম শিক্ষা: আল্লাহর যিকর সহজ অথচ মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য শুধু দীর্ঘ ইবাদত বা বড় কাজের অপেক্ষায় থাকা উচিত নয়; রাসুলুল্লাহ ﷺ এমন দুটি বাক্য শিখিয়েছেন, যা উচ্চারণে সহজ এবং আমলের পাল্লায় ভারী।
দ্বিতীয় শিক্ষা: আল্লাহর পবিত্রতা ও মহত্ত্ব স্বীকার ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ। কথা ও কাজের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আনুগত্য প্রকাশ করা উচিত।
তৃতীয় শিক্ষা: সময়ের সঠিক ব্যবহার। অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা ও কাজে সময় নষ্ট না করে অবসর মুহূর্তগুলো যিকরে ব্যয় করা যায়।
চতুর্থ শিক্ষা: নিয়মিত আমলের অভ্যাস গড়ে তোলা। একদিন অনেক যিকর করে পরে সম্পূর্ণ ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে নিয়মিত যিকরের অভ্যাস উত্তম।
পঞ্চম শিক্ষা: সুন্নাহর অনুসরণ। রাসুলুল্লাহ ﷺ যে যিকর শিখিয়েছেন, তা তাঁর শেখানো শব্দ ও পদ্ধতি অনুযায়ী পালন করা উচিত। দ্বীনের ক্ষেত্রে নিজের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট ফজিলত বা সংখ্যা বানিয়ে নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
ষষ্ঠ শিক্ষা: শুধু যিকর নয়, জীবনের সব ক্ষেত্রে আল্লাহর আনুগত্য করা। জিহ্বায় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করার পাশাপাশি আচরণেও তাঁর বিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে। মিথ্যা, গিবত, প্রতারণা ও অন্যায় থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।
১১. কীভাবে এই আমলটি জীবনে বাস্তবায়ন করব?
১. দুটি বাক্যের অর্থ ভালোভাবে শিখব।
২. প্রতিদিন সুবিধাজনক সময়ে আন্তরিকতার সঙ্গে যিকর করব।
৩. সকাল-সন্ধ্যার প্রমাণিত যিকরগুলো শেখার চেষ্টা করব।
৪. যিকরের পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতসহ ফরজ ইবাদত যথাযথভাবে পালন করব।
৫. আল্লাহর স্মরণ যেন আমাদের চরিত্র ও আচরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, সে চেষ্টা করব।
৬. পরিবার ও সন্তানদের সহীহ হাদীসে বর্ণিত যিকরগুলো শেখাব।
এই হাদীসে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। তাই এই দুটি বাক্য বলার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বাধ্যতামূলক বলে প্রচার করা উচিত নয়। তবে সাধারণভাবে বেশি বেশি যিকর করা যায়।
১২. সমাপনী আলোচনা
সম্মানিত উপস্থিতি, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর এই হাদীস আমাদের জন্য মূল্যবান শিক্ষা বহন করে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বহু সুযোগ আমাদের প্রতিদিনের জীবনেই রয়েছে। সেসব সুযোগের অন্যতম হলো আল্লাহর যিকর।
আমরা প্রতিদিন অসংখ্য কথা বলি এবং বিভিন্ন কাজে সময় ব্যয় করি। সেই ব্যস্ততার মধ্যেও আল্লাহর পবিত্রতা ও মহত্ত্ব ঘোষণা করার অভ্যাস গড়ে তুললে দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ মুহূর্তগুলোও নেক আমলের সুযোগে পরিণত হতে পারে। তাই আসুন, এই দুটি বাক্যের অর্থ বুঝে আন্তরিকতার সঙ্গে বেশি বেশি যিকর করি:
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ
আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করি, তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর মহত্ত্ব স্বীকার করি এবং সমগ্র জীবনকে তাঁর আনুগত্যের পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করি।
দোয়া
اللَّهُمَّ أَعِنَّا عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ، وَاجْعَلْ أَلْسِنَتَنَا رَطْبَةً بِذِكْرِكَ، وَقُلُوبَنَا مُخْبِتَةً لَكَ، وَأَعْمَالَنَا خَالِصَةً لِوَجْهِكَ.
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার যিকর, আপনার শুকরিয়া আদায় এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করার ব্যাপারে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের জিহ্বাকে আপনার যিকরে সিক্ত রাখুন, আমাদের অন্তরকে আপনার সামনে বিনয়ী করুন এবং আমাদের আমলগুলোকে একমাত্র আপনার সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিত করুন।
وَصَلَّى اللَّهُ وَسَلَّمَ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ.