দ্বীনী ইলমের পথে হালকা করে নেওয়ার মত কোনো বিষয় নেই।
ইমাম মালেক রাহিমাহুল্লাহর উক্তি, [আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকেও কোথাও কোথাও উদ্ধৃত হয়েছে], তিনি বলেন,
একজন আলেমের জন্য রক্ষাকবচ হলো “আমি জানি না” একথা বলা। যদি কেউ এই রক্ষাকবচ (বাঁচার পথ) ব্যবহারের ক্ষেত্রে অমনোযোগী হয় তাহলে সে ধ্বংসের দিকে পতিত হবে। (ইমাম যাহাবীর সিয়ার)।
ইমাম যাহাবী তার সিয়ার গ্রন্থে ইবনুস সাম্মাক থেকে আরেকটি সুন্দর কথা বর্ণনা করেছেন। তা হলো: এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা উপকার না করলেও ক্ষতি করেনা। কিন্তু দ্বীনী ইলম (জ্ঞান) এমন বিষয়, যা দ্বারা (পরকালীন) উপকার সাধিত না হলে তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। (আমরা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই)।
হায়ছাম ইবনু জামীল বলছেন যে, ইমাম মালেক রাহিমাহুল্লাহকে ৪৮টি মাসআলা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি ৩২টি মাসআলায় বলছেন, আমি জানি না।
আর খালেদ ইবনু খিদাশ বলছেন যে, ইমাম মালেককে আমি ৪০টি মাসাআলা জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে মাত্র ৫টি মাসাআলার উত্তর দেন। (সুবহানাল্লাহ)।
কেউ কেউ জ্ঞানের সতর্কতা বুঝাতে গিয়ে উল্লেখ করেছেন, একজন ব্যক্তির জাহালত প্রকাশের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, তার পক্ষ থেকে এটা স্পষ্ট হওয়া সে সব জানে। আবার কেউ বলেছেন, কেবল অজ্ঞ ব্যক্তিই সকল প্রশ্নের জানে। এজন্য একটা আরবী লেখনীর শেষ প্যারা এভাবে শেষ হয়েছে যে, জ্ঞানের ভারত্ব অনেক বড়। কেউ যদি এটাকে অবহেলা করে ও এক্ষেত্রে অসতর্ক হয় তাহলে জ্ঞানের বোঝা সে বহন করতে অক্ষম হবে এবং শেষ পরিণতিতে এমন হয়ে দাঁড়াবে যে, সে কোনো জ্ঞানই অর্জন করেনি।
আল্লাহ আমাদেরকে উপকারী জ্ঞানার্জনের তৌফিক দান করুন। সব ধরনের ক্ষতিকর বিষয় থেকে হিফাজত করুন। আমীন!










