গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কথা বলার পূর্বে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল করুন।
১. আপনার বলা কথা বা লেখায় দ্বীনের উপকার হবে কিনা!
২. বা দ্বীনের ক্ষতির আশঙ্কা আছে কিনা!
৩. আপনার চুপ থাকাতেই দ্বীনের উপকার কিনা!
৪. আপনি কথা না বললে বা না লিখলেও চলবে কিনা! অর্থাৎ, এবিষয়ে অধিক জ্ঞানীলোকের অপেক্ষায় থাকাটাই উচিত কিনা!
৫. কথা বললেও বা লিখলেও সেটা সময় ও বাস্তবতা উপযোগী কিনা! এবং এটার ন্যারেটিভ তৈরি হলে সেটার দায়ভার শুধু নিজের নাকি পুরো কমিউনিটির উপর বর্তাবে!
৬. দ্বীনী কমিউনিটিতে আপনার বলা কথা বা লেখার প্রভাব কতটুকু এবং এটার সাথে আপনার দুনিয়াবী কোনো বিষয় সম্পৃক্ত আছে কিনা!
৭. কথা বললেও সেটাতে যদি কিন্তু কিংবা একটু এদিক সেদিক অপ্রাসঙ্গিক কিছু অতিরিক্ত কথা যুক্ত আছে কিনা! এটা খুব ভালো করে দেখা দরকার।
৮. আপনার কথা বা লেখার দ্বারা অন্যান্য বিদ্বান ব্যক্তিদের সময়, খিদমাত বা দাওয়াতী কাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কিনা!
আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। অন্তত এগুলো বিষয় মনে রাখা ও মান্য করা জরুরি। দাওয়াহটা ফলপ্রসূ হয় সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় কিন্তু নষ্ট হয় কিছু নামকাওয়াস্তে জ্ঞানী লোকজনের কারণে। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ গ্রহণের তৌফীক্ব দান করুন। আমীন!